কোরআন একটি ভুয়া গ্রন্থ!!একটি তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ।

কোরআন একটি ভুয়া গ্রন্থ!!(নাওজুউবিল্লাহ) একটি তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ।

Spread the love

কোরআন একটি ভুয়া গ্রন্থ!!। এটি রাসূল ﷺ লিখেছেন বানিয়ে পরুন্তু, হত্যা, নারীদের নিপীড়ন, ডিসক্রিমিনেশন, ইন্যাকুলিটি, অমুসলিমদের নির্যাতন ইসলাম ধর্মের স্তম্ভ। ১৪০০ বছর আগের নিয়ম এই যুগে অসামঞ্জস্যপূর্ণ- তাসলিমা নাসরিন (NDTV India)

তসলিমা নাসরিন সমীপে,
সুমাইয়া বিনতে খাইয়াৎ (রাঃ), ইসলামের পঞ্চম মুসলিম এবং প্রথম শহীদ। তাকে আবু জেহেল ও তার দলবল ধরে এনে দিনের বেলা জনসম্মুখে, তার নিজের স্বামীর সমানে, নিজের সন্তানের সামনে, রাসূল ﷺ এর চোখের সামনে, দুই পা ফাক করে তার গোপনাঙ্গ দিয়ে ধারালো বর্শা ঢুকিয়ে সে বর্শা মাথা দিয়ে বের করে তাকে মক্কার রাস্তায় উঁচু করে মাটিতে গেঁথে রেখেছিলো। তার দোষ? সে, এক আল্লাহকে বিশ্বাস করতো।

নবুয়্যাতের প্রথম ১৩ বছর মক্কাতে, এমন কোন দিন নেই রাসূল ﷺ গায়ে থুতু, ময়লা, নষ্ট পানি, তাকে রাস্তায় গালি, ঠাট্টা-বিদ্রুপ, তার মেয়ে রুকাইয়া (রা) তাকে জোরপূর্বক ডিভোর্স, সাহাবীর প্রেগনেন্ট বৌ, তার পেটে ছয় মাসের বাচ্চা, সেই সাহাবীর বৌকে পেটে চুরি মেরে তার মাসুম বাচ্চা হত্যা পরে অতিরিক্ত রক্ত ক্ষরণে ওই সাহাবীর বউয়ের মৃত্যু কেন? কি করছিলেন তিনি? কি অপরাধ ছিল তার? তিনি কি কারো বোনের দিকে তাকাইসেন, বিজনেস ট্রান্সেকশন এর টাকা মেরে দিসিলেন? কি অপরাধ? ৩ বছর রাসূল ﷺ আর সাহাবীদেরকে একঘরে করে রাখা হয়েছিল।

ক্ষুধার যন্ত্রনায় তারা গাছের পাতা খেতেন, তাদের অবস্থা এমন হয়েছিল তাদের ইউরিনের রং আর পুশুর মূত্রের রঙের কোন তফাৎ ছিলোনা?
দুম্বা-ভেড়ার নাড়ি-ভুঁড়ি কাফেররা রাসূলের ﷺ বাড়ীর মধ্যে ছুঁড়ে মারত। পঁচা গলিত আবর্জনাসমূহ রাসূল ﷺ রান্না ঘরের মধ্যে নিক্ষেপ করত যাতে কোন খাবার থাকলে তা নষ্ট হয়ে যায়।

রাসূল ﷺ নামাজের সিজদায়, তার মাথার উপর অতিরিক্ত ভেড়ার ভুঁড়ি কাফেররা এনে ঢেলে দেয় যাতে তিনি দূর্ঘন্ধে মারা যান, এই খবর শুনে মা ফাতিমা (রা) দৌঁড়ে এসে ভুঁড়ি সরিয়ে দিয়ে প্রিয় নবীকে সাক্ষাত মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচান।

উবাই বিন খালাফ শুনতে পেল, ওক্ববা বিন আবু মু‘আইত্ব রাসূলের কাছে আল্লাহর বাণী শুনেছে, তখন ভীষণ ক্ষেপে গিয়ে ওক্ববাকে বাধ্য করল যাতে সে তৎক্ষণাৎ গিয়ে রাসূলের ﷺ মুখে থুথু নিক্ষেপ করে আসে। ওক্ববা তাই করলো। চিন্তা করে দেখুন কতটুক দুরাচার হলে মানুষ প্রিয় নবীর ﷺ সাথে এমন কাজ করতে পারে।

রাসূল ﷺ যখন রাস্তায় বেরোতেন, তখনই ওঁৎ পেতে থাকা ছোকরার দল ছুটে এসে রাসূল ﷺ কে সালাম দিত তারপর পাল্টা গালি দিয়ে অট্টহাস্য করত। কোন এক পর্যায়ে যখন ওরা রাসূলের ﷺ দিকে ঢিল ছুঁড়ে মারা শুরু করত, তখন রাসূল আবু সুফিয়ানের গৃহে আশ্রয় নিতেন।

১৮ মাস তিনি প্রাণভয়ে পাহাড়ে পাহাড়ে ঘুরে বেড়াতেন, নিজের জন্মভূমির জন্য কান্না করতেন যখন তিনি মদিনায় হিজরত করেছিলেন, তায়েফে ইসলাম প্রচার করতে গিয়ে সুদীর্ঘ ৫ কিলোমিটার জনতার পাথর নিক্ষেপে প্রিয়নবীর পা রক্তাক্ত হয়ে পায়ের চামড়া জুতার সাথে আটকে গিয়েছিলো। কি অপরাধ ছিল তার? মূর্তি পূজা না করে আল্লাহকে পূজা করতে বলেছিলেন তাই? জীবন্ত কন্যা সন্তান দাফন করতে বারণ করেছিলেন তাই, নগ্ন মেয়েদের কাপড় পড়াতে শিখিয়েছিলেন তাই?

হামজা (রা) রাসূল এর প্রানপ্রিয় চাচা উহুদের যুদ্ধে হামজা (রা) এর মৃত শরীরের উপর দাঁড়িয়ে তার দুই হাত, তার পা, তার নাক, তার জিভ, তার ভুঁড়ি, তার সব কটা অঙ্গ প্রত্যঙ্গ কেটে ছড়িয়ে ছিটিয়ে দিয়েছিলো কাফেররা। ১ বার না ১০ বার না ৩০ বার না ৭০ বার, ৭০ বার কান্না করতে করতে জানাজা পড়িয়েছিলেন রাসূল ﷺ তার প্রানপ্রিয় চাচা হামজার (রা) এর,……..কই আপনার ধর্মজ্ঞান, কই মানবধিকার!!!!

আপনি ১৮-১৯ বছরের ছেলে মেয়েদের বোকা বানিয়ে তাদের মাথায় সন্দেহ ঢুকানোর কাজ করতেই পারেন, করে যান। কিন্তু, আমার পক্ষ থেকে আপনার জন্য হেদায়েতের দোআ রইলো, কারণ মক্কা বিজয়ের দিন যখন ১০ হাজার সৈন্য নিয়ে যখন রাসূল ﷺ এলেন, সেই কাফেরগুলা ভয়ে কাঁপতে লাগলো যারা তাকে নিদারুণ অত্যাচার করেছিলেন তখন তিনি ঘোষণা দিলেন, ❝যে ব্যক্তি আবু সুফিয়ানের গৃহে আশ্রয় নিবে, সে ব্যক্তি নিরাপদ, যাও আমি তোমাদের আমি ক্ষমা করে দিলাম❞

এই সেই রাসূল ﷺ যাকে উদ্দেশ্য করে জর্জ বার্নাডশ বলেছিলেন ❝He must be called the saviour of all the humanity; if Muhammad ﷺ was to rule the modern world, he would single handedly solve all of its problems❞ এই সেই রাসূল ﷺ যে একজন ইহুদি মাকে গিয়ে বলেছিলেন মা আমি আপনার মুজদুর হতে পারি, আপনার বস্তা মাথায় নিয়ে আপনাকে এগিয়ে দিয়ে আসতে পারি, এই সেই রাসূল ﷺ যিনি একজন ইহুদীর মৃত্যুতে কেঁদেছেন…… এই সেই রাসূল……💕💕💕………..

Leave a Comment: